বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি: ইতিহাস, বিতর্ক ও কূটনৈতিক বিপ্লব

আপনি যদি জানতে চান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি, তাহলে আপনাকে ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করতে হবে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে এই স্বীকৃতি পাওয়া কোনো সহজ বা একক মুহূর্তের ঘটনা ছিল না—বরং এটি ছিল রাজনৈতিক কূটনৈতিক হিসেব-নিকেশের ফল।
স্বাধীনতার ঠিক পরেই বাংলাদেশের স্বীকৃতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নানা আলোচনা শুরু হয়। আপনি দেখবেন, বিভিন্ন দেশ নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান ও স্বার্থের কারণে এই স্বীকৃতি দিতে দ্বিধা করেছিল, আবার কেউ কেউ এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে আগেভাগেই বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়েছিল। এখানে “প্রথম দেশ” কে, সেটা কেবল সময়ের ব্যাপার নয়, বরং ইতিহাস, নথিপত্র এবং রাজনৈতিক বক্তব্য—সবকিছু বিবেচনায় নিতে হয়।
আপনি যদি ছাত্র হন, গবেষক হন, কিংবা শুধুই ইতিহাসপ্রিয় একজন পাঠক, এই প্রবন্ধটি আপনাকে জানাবে কিভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান একটি কৌশলগত মুহূর্তে দাঁড়িয়ে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি—এই প্রশ্নের উত্তর শুধু একটি দেশের নাম নয়, বরং একটি কূটনৈতিক ঘটনার প্রতিচ্ছবি।
স্বীকৃতি কী? এবং প্রথম স্বীকৃতিদাতা কারা?

স্বীকৃতি শব্দটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। আপনি যখন একটি নতুন রাষ্ট্র গঠন দেখেন, তখন সেই রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান মানে তাকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নেওয়া। এর ফলে, নতুন রাষ্ট্রটি বৈশ্বিক ক্ষেত্রে তার পরিচয় পায় এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও, এর রাজনৈতিক স্বীকৃতি তৎক্ষণাৎ সব দেশ থেকে আসেনি। কিন্তু এই সময়ে সবচেয়ে আগ্রহের বিষয় ছিল—বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
এই প্রশ্নে উত্তর সাধারণভাবে আপনি পাবেন: ভুটান। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর, ভারত ও ভুটান—দুই দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তবে সময়কাল অনুসারে এবং বিভিন্ন নথির ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভুটানই সেই দেশ, যারা ভারত থেকেও কয়েক ঘণ্টা আগে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। এ কারণে ভুটানকেই ‘প্রথম দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
ভুটানের এই আগ্রহ ও সহানুভূতি ছিল নিঃস্বার্থ ও আন্তরিক। ভুটানের রাজা জিগমে দোরজি ওয়াংচুক সরাসরি স্বীকৃতি ঘোষণা করেন এবং বলেন, এটি শুধু রাজনৈতিক নয়, ন্যায়-অন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর এক পদক্ষেপ। এমনকি অনেক ঐতিহাসিকের মতে, এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক।
আপনি যদি ইতিহাসপ্রিয় হন, তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, এই স্বীকৃতি শুধু আনুষ্ঠানিকতা ছিল না—এটি ছিল একটি নতুন রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন।
স্বীকৃতি দিতে যারা দেরি করেছিল

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর, যদিও কয়েকটি দেশ দ্রুত স্বীকৃতি দেয়, অনেক দেশই রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নানা কারণে স্বীকৃতি দিতে সময় নিয়েছিল। আপনি যদি বিস্মিত হন কেন এমনটা হয়েছিল, তাহলে বুঝতে হবে তখনকার বিশ্ব রাজনীতি কতটা জটিল ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ভূমিকা
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত দেরিপ্রাপ্ত স্বীকৃতিদাতাদের মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি আসে ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে। যদিও দেশটি প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাকিস্তানের পক্ষেই ছিল, পরে বাস্তবতা ও জনমত বিবেচনায় তাদের অবস্থান বদলায়।
চীন, তখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে, পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল। তাই তারা শুরুতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। চীন জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রস্তাবেও একাধিকবার ভেটো দেয়। পরে ১৯৭৫ সালের আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে চীনও স্বীকৃতি দেয়।
আরব ও মুসলিম দেশগুলোর অবস্থান
বাংলাদেশের স্বীকৃতিতে অনেক মুসলিম রাষ্ট্রও দ্বিধায় ছিল। তাদের অধিকাংশই পাকিস্তানের সঙ্গে ঐক্য ও মুসলিম সংহতির ভিত্তিতে অবস্থান নিয়েছিল। বিশেষ করে সৌদি আরব, ইরান ও মিশর কিছুটা সময় নিয়ে পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
ইউরোপীয় ও আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলো
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) কিছুটা দ্রুত এগিয়ে আসে। তবে আফ্রিকার অনেক দেশ স্বীকৃতি দিতে সময় নেয়, কারণ তারা নিজ নিজ অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বিশ্বব্যবস্থার চাপের মধ্যে ছিল।
আপনি যখন এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন, তখন পরিষ্কার হবে—স্বীকৃতি শুধু একটি কাগজে লেখা ঘোষণা নয়, বরং এটি একেক দেশের রাজনৈতিক অবস্থান ও ভূ-কৌশলগত চিন্তার প্রতিফলন।
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি—এই প্রশ্নের পর যখন দেরিতে স্বীকৃতি পাওয়া দেশগুলোর তালিকা দেখি, তখন বোঝা যায় স্বাধীনতার স্বীকৃতি আদায় করাও ছিল এক যুদ্ধের অংশ।
বাংলাদেশের জন্য প্রথম স্বীকৃতির গুরুত্ব ও প্রভাব
আপনি যখন জানতে চান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি, তখন সেই প্রশ্নের উত্তর শুধু তথ্য নয়—এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্য। ভারতের দেওয়া প্রথম স্বীকৃতির তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অবিস্মরণীয়।
কূটনৈতিক অবস্থান দৃঢ় করা
প্রথম স্বীকৃতি মানে হলো—বিশ্ব দরবারে একটি নতুন রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করা। ভারতের স্বীকৃতি বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে শক্ত ভিত্তি দেয়। অন্যান্য দেশ যারা সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধায় ছিল, তারা ভারতের সিদ্ধান্ত দেখে বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে।
এটি অনেকটা পথ দেখানোর মতো কাজ করেছিল—যেখানে একাধিক দেশ এরপর একে একে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। স্বাধীনতার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড, ভুটান প্রভৃতি দেশের স্বীকৃতি তারই প্রমাণ।
মুক্তিযুদ্ধের ন্যায়সঙ্গততা প্রতিষ্ঠা
স্বীকৃতি শুধু রাষ্ট্রীয় গঠনের বৈধতা নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের ন্যায়সঙ্গততার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। আপনি ভাবুন, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বিশ্বের সামনে পরিষ্কার হয়ে যায় যে বাংলাদেশ কোনো বিদ্রোহ নয়, বরং একটি জাতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের সংগ্রাম।
ভারতের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই বার্তা ছড়িয়ে দেয় যে, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, যার পেছনে জনগণের সমর্থন, আত্মত্যাগ এবং ন্যায্য দাবির ভিত্তি ছিল।
জাতিসংঘে প্রবেশের পথ তৈরি
যদিও বাংলাদেশ জাতিসংঘে যোগ দিতে আরও সময় নেয় (১৯৭৪ সালে), তবে ভারতের স্বীকৃতিই জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার পথে প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। একটি প্রভাবশালী দেশের স্বীকৃতি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগ দেওয়ার সুযোগ ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়ে তোলে।
বন্ধুত্ব ও অর্থনৈতিক সহায়তা
স্বীকৃতির পর ভারত সরকার শুধু কূটনৈতিক সমর্থন নয়, অর্থনৈতিক সহায়তাও দেয়। খাদ্য, ওষুধ, পুনর্গঠন ইত্যাদিতে ভারতের অবদান বাংলাদেশের পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আপনিও বুঝতে পারবেন, নতুন রাষ্ট্রের জন্য এই সাহায্য কতটা জরুরি ছিল।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (FAQs)
প্রশ্ন ১: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি?
উত্তর: বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ হলো ভারত। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
প্রশ্ন ২: ভুটান কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
উত্তর: ভুটানও ভারত সরকারের সঙ্গে একই দিনে, অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। অনেক ঐতিহাসিক দলিল ভুটানকেই প্রথম বলে দাবি করে, তবে সাধারণভাবে ভারত ও ভুটানকে একযোগে প্রথম স্বীকৃতিদাতা ধরা হয়।
প্রশ্ন ৩: বাংলাদেশের স্বীকৃতি পেতে সবচেয়ে বেশি দেরি করেছিল কোন দেশগুলো?
উত্তর: চীন, সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে দীর্ঘ সময় নিয়েছিল। বিশেষ করে চীন ১৯৭৫ সালের পর স্বীকৃতি দেয়, মূলত রাজনৈতিক কারণে।
প্রশ্ন ৪: স্বীকৃতি পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতিসংঘে যোগ দেয় কবে?
উত্তর: বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি পাওয়ার প্রক্রিয়াকে চূড়ান্ত করে।
প্রশ্ন ৫: স্বীকৃতি না পেলে একটি দেশ আন্তর্জাতিকভাবে কী সমস্যায় পড়ে?
উত্তর: স্বীকৃতি না পেলে দেশটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, বাণিজ্য, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় যোগদানের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে।
প্রশ্ন ৬: বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে ভারতের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: ভারত শুধুমাত্র প্রথম স্বীকৃতি দেয়নি, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সামরিক, কূটনৈতিক এবং মানবিক সহায়তা দিয়েও বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রশ্ন ৭: বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। তারা ১৯৭১ সালের শেষদিকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রাপ্তিতে পশ্চিমা দেশের বিরোধিতার বিরুদ্ধে জোরালো সমর্থন জানায়।
উপসংহার: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পথে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ
স্বাধীনতার পরপরই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ ছিল। অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি — এই প্রশ্নের উত্তর শুধু ঐতিহাসিক কৌতূহল নয়, বরং এটি বাংলাদেশের আত্মপরিচয়, সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
ভারত এবং ভুটান প্রথমে এগিয়ে এসে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে শুধু প্রতিবেশী বন্ধুত্ব নয়, মুক্তিযুদ্ধের ন্যায়সঙ্গততা ও মানবতার জয়কেও তুলে ধরেছিল। এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশের স্বীকৃতি এবং জাতিসংঘে সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্থায়ী ও দৃঢ় অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়।
তুমি যদি এখনো ভাবছো বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি, তবে জেনে রাখো—এই ইতিহাস শুধু একটি দেশের নাম জানার জন্য নয়, এটি একটি জাতির আত্মত্যাগ, সংগ্রাম, ও আন্তর্জাতিক সাফল্যের প্রতীক। এই জ্ঞান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আমাদের স্বাধীনতার চেতনাকে বারবার মনে করিয়ে দেবে।




